বীরভূমের একপ্রান্তে রসা গ্রামে দীর্ঘদিনের বাস। জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে মানুষকে মনোরঞ্জিত করতে তাঁর সম্বল বট পাতা। কোনোরকম বাঁশি নয়, বট পাতার মাধ্যমেই তিনি শোনান বিভিন্ন গানের সুর বাঁশির সুরে। উনার বয়স যখন ছিল মাত্র ১৪-১৫ বছর, তখন থেকেই অভ্যাস করেছেন। মুনিবদের গরু চড়াতে চড়াতে অথবা ডাক্তারের ঘোড়া পাহারা দিতে দিতে তাঁর সময় কাটানোর একটিই সম্বল ছিল পাতা। জীবনের প্রথম সময়ে অবশ্য অন্যান্য বিভিন্ন গাছের পাতাকেই বাজাতেন , কিন্তু এখন শুধু বটপাতা। শুধু গ্রামেই নয়, সিউড়ি, দুবরাজপুর, বর্ধমানের বিভিন্ন অংশে, এমনকি ঝাড়খণ্ডেও চলে যান বাজাতে। এক সময় যাত্রা দল বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও বাজিয়েছেন এই বটপাতার বাঁশি। তিনি বলেন কোনো একসময় মেদিনীপুর থেকে কোনো যাত্রা দল এসেছিল, তাদের দেখেই তাঁর এই শিক্ষা।
হত দরিদ্র, বাড়িটুকুও নেই সেভাবে, এভাবেই বাজিয়ে বাজিয়ে অল্প কিছু উপার্জনও করেন। তাঁর এই সুর শুনে জড়ো হয়ে যান এলাকার মানুষেরা। অনেকের দাবিও পূরণ করে থাকেন।
আমরা কিছুদিন আগে ইনাকে নিয়েই একটা ছোট্ট ভিডিও নিয়ে এসেছিলাম আপনাদের জন্য। কিন্তু তাতে আমাদেরও মন ভরেনি। তাই ছুটে গেছিলাম তাঁর কাছেই। আজ আপনাদের জন্য রইলো তাঁর গানের পুরো ভিডিও ও শিল্পীর এবং প্রতিবেশীদের কিছু কথা। ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করে অন্যদের শুনান আর হ্যাঁ শিল্পীর জন্য একটা লাইক বা কমেন্ট দিতে ভুলবেন না।
শিল্পী -গেন্ডা বাদ্যকর
রসা,বীরভূম
[uam_ad id=”3726″]
Birbhum Lal Matir Desh