চিনপাই গ্রামের নিকট ৬০নং জাতীয় সড়কে বক্রেশ্বর নদীর ওপর রয়েছে এই সেতুটি। বছরের অন্য সময় সেরকম জল না থাকলেও ভরা বর্ষায় এই বক্রেশ্বর নদী পূর্ণতা পায়। কেননা এই সেতুর একটু দূরেই রয়েছে বক্রেশ্বর জলাধার। যার মূলত পাঁচটি গেট। যেখানে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রয়োজনীয় জলের যোগানের জন্য রয়েছে বাঁধ । আর জল একটু বেশি হলেই সেই বাঁধ হতে জল ছেড়ে দিতে হয়,যা এই সেতুর নীচে দিয়ে প্রবাহিত হয় । আর এই সেতুটির ওপর দিয়ে সারাদিনে প্রায় লাখের ওপর ছোটবড় গাড়ি যাতায়াত করে । একদিকে পাঁচামীর দিক থেকে আসা পাথর বোঝায় বড় লরি আবার সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে শ’খানেক বাসের নিত্য যাতায়াতের প্রধান রাস্তা এটি। কেননা সিউড়ি রামপুরহাটের মতো শহরের সাথে রানীগঞ্জ – আসানসোলের যোগযোগের প্রধান মাধ্যম এই রাস্তা । কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুটির সেইমতো রক্ষণাবেক্ষণ বা মেরামতি নেই বললেই চলে । সেতুটির রাস্তা যেমন খানাখন্দে ভরা ,গার্ডওয়ালে চির ধরেছে ঠিক তেমনই সেতুর নীচের পিলারের তলের মাটি প্রায় শূন্য । ফলে অতি সাধারণ ছোট গাড়ি পেরোলেই সমগ্র সেতুটি কেঁপে উঠছে । এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে যেকোনো সময় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে । বিশেষত আর কয়েকবার জলাধার হতে জল ছাড়লে যে সেতুর নীচের মাটি আরও ক্ষয়প্রাপ্ত হবে সেসম্পর্কে কোনো সন্দেহ নেই ।
ছবি, ভিডিও ও তথ্যঃ গৌড় চক্রবর্তী ও মহঃ আজহারউদ্দিন (সাহেব)
[uam_ad id=”3726″]
Birbhum Lal Matir Desh