
দুবরাজপুর : ঘটনাটি ২০ ই মার্চের বীরভূমের দুবরাজপুরের । ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মৌ মন্ডলের কাছে ফোন আসে কোনো ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের নাম করে, তারপর সেই কার্ড ব্লক বা আধার নাম্বার যোগ করা ইত্যাদির কথা বলা হয় ।
মৌ মন্ডলের সেই ভাবে এই রকম প্রতারনার কথা জানা না থাকায় এবং ফোন করা ব্যক্তির বক্তব্যে বিশ্বাস করে দিয়ে দেন এটিএমের সব রকম তথ্য। তারপরে পরেই খোয়া যায় ১ লক্ষ টাকা তার বন্ধন ব্যাঙ্কের খাতা থেকে। এই ১ লক্ষ টাকা ধাপে ধাপে মোট ৮ বারে খোয়া গেছে। টাকা খোয়ার কথা বুঝতে পেরে দুবরাজপুরের এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মৌ মন্ডল দুবরাজপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
এই রকম ঘটনা নতুন নয়, বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে এরকম বিভিন্ন রকম প্রতারনার কথা। জেলা থেকে রাজ্য বা দেশ সর্বত্রই কোথাও না কোথাও এই রকম প্রতারনার শিকার হচ্ছেন বহু মানুষ। এইসকল ক্ষেত্রে অপরাধীদের নাগালে পাওয়ার কথা শোনা যায় না বললেই চলে। তাহলে কি হবে সাধারণ মানুষগুলোর ? কেবল মাত্র টিভিতে বা অন্যান্য মাধ্যমে কিছু সতর্ক বার্তা দিয়েই কি সব কিছু থামিয়ে রাখা হবে ? অপরাধ জগতকে কি এই ভাবে থামানো সম্ভব ?
ছবি ও তথ্যঃ নয়ন দাঁ
Birbhum Lal Matir Desh