২১ জুনঃ- দাদাকে খুনের ঘটনার অপরাধে যাবজ্জীবন সাজা হল ভাই। বীরভূমের দুবরাজপুর আদালতের বিচারক এই যাবজ্জীবন সাজার রায় ঘোষণা করেন বুধবার পাশাপাশি ৫ হাজার টাকার জরিমানা করা হয়েছে অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারবাস।
আদাঁলত সুত্রে জানা গিয়েছে যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত অপরাধী হলেন প্রভাত চক্রবর্তী। বাড়ি লোকপুর থানার লিঙ্গা গ্রামে। তার অপরাধ দাদা প্রকাশ চক্রবর্তীকে নৃশংস ভাবে খুন করার। দুবরাজপুর এর দ্রুত মামলা নিস্পত্তিকারী আদালতের বিচারক মোল্লা আসগর আলি ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রভাত কে যাবজ্জীবন কারাবাসের নির্দেশ দেন।বিগত ২০১৬ সালের ২৬ আগস্ট নিজের বাড়ি থেকে রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয় প্রকাশ চক্রবর্তীর। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন ভাই। তাঁদের বাবা মন্টু চক্রবর্তী থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেন লোকপুর থানায় যে তার ছোট ছেলে প্রভাত বড় ছেলে প্রকাশকে শাবল দিয়ে পিটিয়ে নৃশংসভাবে খুন করেছে। বৌদির সঙ্গে ছোট ছেলের অবৈধ সম্পর্ক ছিল বলে বড় ছেলে সন্দেহ করতো। সেই কারনে দুই ভাই এর মধ্যে বিবাদ ছিল অনেক দিন ধরে। সেই বিবাদ চরম আকার ধারন করে ঘটনার দিন। সেই দিন বিবাদ চলাকালীন দাদাকে মেরে ফেলে ভাই। যদিও ঘটনার সময় বৌমা বাড়িতে ছিলেন না। ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দেয় ছোট ছেলে। পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। ছোট ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেও পরবর্তি সময়ে আদালতে সাক্ষ্য গ্রহনের সময় বাবা মন্টু চক্রবর্তী বিরুপ হয়। যদিও বিচারক পারিপার্শ্বিক সব দিক বিচার করে প্রকাশ চক্রবর্তীকে যাবজ্জীবন কারা বাসের সাজার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানালেন দুবরাজপুরের দ্রুত মামলা নিস্পত্তি কারী আদালতের সরকার পক্ষের আইনজীবী অম্লান চক্রবর্তী।
ছবি ও তথ্যঃ কৌশিক সালুই
[uam_ad id=”3726″]
Birbhum Lal Matir Desh